২০২০ সালের কথা। বাংলাদেশে অনলাইন গেমিং তখন সবে জনপ্রিয় হতে শুরু করেছে। কিন্তু বেশিরভাগ প্ল্যাটফর্ম ছিল বিদেশি, ইংরেজিতে, এবং বাংলাদেশের পেমেন্ট সিস্টেমের সাথে মানানসই না। মোবাইল ব্যাংকিং বা নগদে টাকা দেওয়া যেত না, সাপোর্টে বাংলায় কথা বলা যেত না, এবং গেমগুলো ছিল হেভি — ধীর নেটওয়ার্কে চলত না। সেই শূন্যস্থান পূরণ করতেই AEC678-এর জন্ম।
AEC678-এর প্রতিষ্ঠাতা দলটি বাংলাদেশের প্রযুক্তি ও গেমিং ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ মানুষদের নিয়ে গঠিত। তাদের একটাই লক্ষ্য ছিল — এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করা যা বাংলাদেশের মানুষের জন্য, বাংলা ভাষায়, দেশীয় পেমেন্ট পদ্ধতিতে সহজে ব্যবহারযোগ্য। সেই স্বপ্ন থেকেই আজকের AEC678।
আমাদের মিশন
AEC678-এর মিশন হলো বাংলাদেশের প্রতিটি কোণের মানুষের কাছে বিশ্বমানের গেমিং অভিজ্ঞতা পৌঁছে দেওয়া — নিরাপদে, সহজে এবং সাশ্রয়ীভাবে। আমরা বিশ্বাস করি, একজন গেমারের সবচেয়ে বড় চাওয়া হলো নির্বিঘ্নে গেম খেলা এবং জয়ের টাকা দ্রুত হাতে পাওয়া। AEC678 ঠিক সেটাই নিশ্চিত করে।
আমরা প্রতিটি সিদ্ধান্তে ব্যবহারকারীর সুবিধাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিই। নতুন গেম আনার আগে আমরা পরীক্ষা করি সেটা বাংলাদেশের ইন্টারনেট গতিতে ভালোভাবে চলবে কিনা। নতুন পেমেন্ট পদ্ধতি যোগ করার আগে আমরা নিশ্চিত করি সেটা সত্যিই ব্যবহারকারীদের কাজে আসবে কিনা।
AEC678-এর পথচলা
২০২০ সালে যাত্রা শুরু করে AEC678 মাত্র পাঁচ বছরে বাংলাদেশের শীর্ষ অনলাইন গেমিং প্ল্যাটফর্মে পরিণত হয়েছে। শুরুতে হাতেগোনা কয়েকটি গেম ছিল, এখন আছে ৫০০-রও বেশি। শুরুতে পেমেন্টের জন্য ব্যাংক ট্রান্সফারের উপর নির্ভর করতে হতো, এখন মোবাইল ব্যাংকিং, নগদ ও রকেটে মুহূর্তের মধ্যে লেনদেন সম্ভব।
আমাদের সদস্যসংখ্যা প্রতি মাসেই বাড়ছে, এবং তার কারণ কোনো বিজ্ঞাপন নয় — মুখে মুখে ছড়িয়ে পড়া বিশ্বাস। একজন সদস্য ভালো অভিজ্ঞতা পেলে তার বন্ধুদের AEC678-এর কথা বলেন, সেই বন্ধুও ভালো অভিজ্ঞতা পান — এভাবেই AEC678-এর পরিবার বড় হয়েছে।
দায়িত্বশীল গেমিংয়ে আমাদের প্রতিশ্রুতি
AEC678 বিশ্বাস করে, গেমিং একটি বিনোদন — এটি কখনো কারো জীবনে বোঝা হওয়া উচিত নয়। সেজন্য আমরা দায়িত্বশীল গেমিংয়ের নীতি কঠোরভাবে মেনে চলি। আমাদের প্ল্যাটফর্মে প্রতিটি প্রাপ্তবয়স্ক সদস্য নিজের ডিপোজিট সীমা নিজেই নির্ধারণ করতে পারেন। প্রয়োজনে অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ রাখার সুবিধাও আছে।
AEC678-এ ১৮ বছরের কম বয়সীদের নিবন্ধন সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। পরিচয় যাচাই প্রক্রিয়া কঠোর। আমরা চাই আমাদের প্রতিটি সদস্য সুস্থভাবে, আনন্দের সাথে গেম উপভোগ করুন — দায়িত্বশীলতার সীমার মধ্যে থেকে।
আমাদের প্রযুক্তি
AEC678-এর পেছনে রয়েছে আধুনিক ক্লাউড অবকাঠামো যা বাংলাদেশের ব্যবহারকারীদের জন্য অপ্টিমাইজ করা। আমাদের সার্ভারগুলো এশিয়ার একাধিক লোকেশনে বিতরণ করা, ফলে বাংলাদেশ থেকে সংযোগ করলে লেটেন্সি অনেক কম থাকে। গেম লোডিং দ্রুত হয়, এবং ম্যাচের মাঝখানে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার ঝুঁকি কমে।
আমাদের পেমেন্ট গেটওয়ে সিস্টেম সরাসরি মোবাইল ব্যাংকিং, নগদ ও রকেটের API-এর সাথে যুক্ত। এতে লেনদেন তাৎক্ষণিক হয় এবং ব্যর্থ লেনদেনের হার শূন্যের কাছাকাছি থাকে। আমরা প্রতিনিয়ত নতুন প্রযুক্তি গবেষণা করছি যাতে ভবিষ্যতে আরও উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হয়।